জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজিপুর গ্রামে আছে চলনবিল জাদুঘর। স্থানীয় শিক্ষক আব্দুল হামিদ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় নিজ একতলা বাড়িতে ১৯৭৮ সালে গড়ে তুলেছেন বিচিত্র এ জাদুঘর। পরবর্তীতে নরওয়ে সরকারের অর্থানুকূল্যে সম্প্রসারিত হয় দ্বিতল ভবনের। ১৯৯০ সালে জাদুঘরটির দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ গ্রহন করে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ১জন স্থায়ী কেয়ারটেকার ও ২জন মাষ্টাররোলে নিয়োগকৃত গার্ড/শ্রমিক এই জাদুঘরের দেখাশুনার কাজে নিয়োজিত আছেন। এই চলনবিল জাদুঘর এ বাদশা নাসিরুদ্দিন ও মোঘল সম্রাট আলমগীরের স্বহস্তে লিখিত কোরআন শরীফ; গাছের ছালের উপর সংস্কৃত ভাষায় পান্ডুলিপি; মনষা ঘট; হাতির দাঁত; ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ব্যবহৃত বুলেট; ৩টি মাথাযুক্ত বাঁশ গাছ; বাংলা ভাষায় লিখিত অতি পুরাতন পান্ডুলিপি; বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান; শ্রী বরদা প্রসাদ শাস্ত্রী’র কাল পাথরের প্রতিকৃতি, ব্রোঞ্জের তৈরী মুর্তি, ৮০টি দেশের মুদ্রা সহ আরো প্রাচীণ উপকরন রয়েছে। চলনবিলে প্রাপ্ত নানা নিদর্শন, মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম ছাড়াও এখানে আছে অনেক দুর্লভ সংগ্রহ। শনিবার জাদুঘরটি বন্ধ থাকে।

 


অবস্থান ও যাতায়াত
নাটোর থেকে বাসে গুরুদাসপুর উপজেলায় এসে সেখান থেকে নদী পার হয়ে রিকশায় আসা যাবে খুবজিপুর গ্রামের এ জাদুঘরে- চলনবিল জাদুঘর

 

Source:
Mytourbd
Link_1