যশোর-বেনোপোল হাইওয়েতে অবস্থিত এই মন্দিরটির নির্মাণশৈলী আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। বাংলাদেশে সচরাচর আট চালা মন্দির দেখা যায় না। মূল চার চালার ছাদের উপর আর একটি চার চালা ছাউনি তৈরি করা হয় এইটাই আট চালা মন্দিরের মূল বৈশিষ্ট্য। টেরাকোটার ব্যবহারের কারনে পুরা মন্দিরটা বাহির থেকে বেশ আর্কষণীয় দেখায়। এখানে নিয়োগ প্রাপ্ত সাইড কিউরেটারের কাছে জানতে পারলাম আগের টেরাকোটা গুলা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় নতুন করে টেরাকোটা গুলা রি-কনস্ট্রাকসন করা হয়েছে।

 

 

সৌন্দর্য বর্ধনের কাজে লাগলেও এইটার ঐতিহাসিক কোন মূল নেই। মন্দিরের বয়স ৩২১ বছর হলেও টেরাকোটা গুলা এখনও বাচ্চা ছাওয়াল। মাত্র ১১ বছর বয়স। তবে যে জিনিসটা সবচেয়ে ভাল লেগেছে এখানে ভিজিটর বুকস রাখা হয়েছে আপনার মূল্যবান মন্ত্রবের জন্য। 

 



"মন্দিরে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে জানা যায়- শ্রী মনোহর রায় ১৬১৮ শকাব্দে (শতাব্দী নয়) বা ১৬৯৬ খ্রিঃ মন্দিরটি নির্মাণ করেন। মোঘল শাসকদের কাছে রাজা প্রতাপাদিত্যের পতনের পর তার অধিনস্ত রাজ্য যে কয়জন জমিদার 'রাজা' উপাধি ধারণ করে শাসন করতেন তন্মধ্যে শ্রী মনোহর রায় (১৬৪০-১৭০

? খ্রিঃ) ছিলেন অন্যতম। কথিত আছে রাজা মনোহর তার রাজ্যাভিষেক উপলক্ষে এ মন্দিরটি নির্মাণ করেন। এক কালে মন্দিরের পাশেই রাজপ্রাসাদ ছিল। এখন তা শুধুই ইতিহাস। সে প্রাস ?দের অস্তিত্ব এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় নি।"

 

 

Source
Onuvromon
বুরহানুর রহমান
Link