}

দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছে নব নির্মিত মেহেরপুরের গাংনীর ভাটপাড়া ডিসি ইকোপার্ক। সবুজ গাছের ছায়াঘেরা পরিবেশের মায়ায় আবদ্ধ বিভিন্ন এলাকার দর্শনার্থীরা। এছাড়াও কাজলা নদীতে নৌকা আহোরণ এক অন্যমাত্রা যুক্ত করেছে। তাইতো প্রায় প্রত্যেকদিন বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনায় মুখরিত একই পার্কটি।

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী উপজেলা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ভাটপাড়া ডিসি ইকো পার্কটির অবস্থান। গাংনী শহর থেকে প্রশস্থ কাথুলী সড়ক দিয়ে পার্কে পৌঁছুতে সময় লাগে মাত্র ১০-১৫ মিনিট। বিট্রিষ নীলকররা এদেশে যে’কটি নীলকুঠি স্থাপন করেছিল তার মধ্যে অন্যতম এই ভাটপাড়া নীলকুঠি। কালের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসা কুঠিবাড়িতেই সম্প্রতি নির্মান হয়েছে ডিসি ইকোপার্ক। বিট্রিষদের নির্যাতনের স্মৃতি বিজড়িত ভঙ্গদশা ভবন এখন ইতিহাসের সাক্ষি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জানা গেছে,  নির্মানাধীন পার্কটিতে রয়েছে পশু-পাখির ভাষকর্য। দৃষ্টিনন্দন বাগান, পুকুর, শাপলা, ফুটওয়্যার, ফুলের বাগান ও দেশীয় গাছ সম্মৃদ্ধ বাগান।
নির্মানাধীন রয়েছে দৃষ্টিনন্দন গেট, পানির ফোয়ারা, লেকের ওভার ব্রিজ, শিশুপার্ক, লেক, %A7%8C%E0%A6%A7" target="_blank">স্মৃতি সৌধ, বসার স্থান, মিনি ট্রেন লাইনসহ দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন স্থাপনা।

ডিসি ইকো পার্কের নকশাকার গাংনী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলিপ কুমার সেন বলেন, ১০০ বিঘা জমির উপর পার্কটি স্থাপিত হচ্ছে। পার্কের পশ্চিম পাশের কাজলা নদী পুনর্খনন করা হচ্ছে। নদীর দুপাড়ে দৃষ্টিনন্দন বাগানের মধ্যে বসার স্থান ও পায়ে হাটার পথ নির্মান করা হবে। পুনর্খনন কাজ শেষে হলে আর ?? দৃষ্টিনন্দন করা হবে।

কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, কর্মব্যস্ত জীবনে সারা বছর সময় পায় না। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েদের লেখাপাড়ার চাপ কম থাকে। তাই সপরিবারে কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক বনভোজন করে সময় পার করেন অনেকেই।

 

 

Source
sonalinews
Link